The Matrix Trilogy – ফুল এক্সপ্লেইন্ড

Kawsar Ahamed September 1, 2018 Views 1521

★ The Matrix Trilogy – ফুল এক্সপ্লেইন্ড ★

হাতে সময় থাকলে পুরো এক্সপ্লেনেশন পড়ুন , নাহয় এড়িয়ে যান। সেটাই ব্যাটার। আর যাদের এই ম্যাট্রিক্স মুভি নিয়ে জানার ইচ্ছা আছে , আশা করি আমার এক্সপ্লেনেশন পড়ার পর গায়ের লোম দাড়িয়ে যাবে। আপনার অজান্তেই মুভিতে প্রচুর কমপ্লিকেটেড বিষয় লুকিয়ে ছিল। মারাত্তক কমপ্লিকেটেড এবং এত পাওয়ারফুল কনসেপ্ট , হলিউডের কোন সাই-ফাই মুভিতে আজ পর্যন্ত কারোও চোখে পড়েনি 😍

ম্যাট্রিক্স মুভি সিরিজ দেখেনি এমন মুভিপ্রেমি এ দুনিয়াতে মনে হয় বেশ কম ই রয়েছেন। ১৯৯৯ সালে রিলিজ হয়া এই হলিউড খ্যাত মুভি ম্যাট্রিক্স ছিল দারুন কনসেপ্ট , গ্রাফিক্স এর কারসাজী এবং সাথে ছিল এক কমপ্লিকেটেড প্লট। মজার ব্যাপার হল গিয়ে , ম্যাট্রিক্স দেখার পর কেউ এটা বলে না যে মুভিটা বুঝিনি।

তাই নাকি ভাই? সব বুঝে গিয়েছেন? তবে ম্যাট্রিক্স মুভির দুই থেকে তিন টা প্রশ্ন করলেই আপনি চীত কাইত হয়ে যাবেন। বেসম্ভব কমপ্লিকেটেড এক প্লট এবং কনসেপ্ট ছিল বোধ্যের মধ্যেও দূর্বোধ্য 😂😂

আমি আজ ম্যাট্রিক্স এর কোন রিভিউ দিচ্ছিনা। সোজা চলে যাব এক্সপ্লেনেশনে। আসলে মুভি দিয়ে কি বুঝানো হয়েছিল আমাদের এবং কনসেপ্ট এতটা কমপ্লিকেটেড হল কিভাবে?

╚●► দ্যা স্যিমুলেশন হাইপোথিসিস ◄●╝

সিমুলেটর হল এমন এক কমান্ড প্রোসেসিং প্রোগ্রাম যেখানে ইউজার নিজ কমান্ড কে প্রোগ্রাম করে যেমন খুশি তেমনভাবে যেকোন ইন্টারফেস গড়ে তুলবে। সে ইন্টারফেস কোন একটা গেম ও হতে পারে। কোন একটি এপ্লিকেশন প্রোগ্রাম ও হতে পারে। যা ইচ্ছে। কম্পিউটার সিমুলেশন হচ্ছে এমন এক প্রোসেস , যেখানে হুবহু রিয়্যাল ওয়ার্ল্ডের মতোই সব বানানো হয় , তবে তা শুধুই ইলিউশন। আসলে ওই জগতের সব কিছুই মিথ্যে। সবই বানানো কোন এক রচিয়তার।

চলুন। এবার এক্সপ্লেনেশন এ যাই।

১। ম্যাট্রিক্স কি? : মুভিতে দুইটি জগতের কথা বলা হয়েছে যার একটি হল রিয়্যাল ওয়ার্ল্ড। আরেকটি হল Matrix । ম্যাট্রিক্স হল কম্পিউটার প্রোগ্রামে নিয়ন্ত্রিত এমন একটি প্রোগ্রাম , যেখানে শুধুমাত্র মানুষের মস্তিস্ক সচল। বডি নয়। সেই জগতের কোন কিছুই রিয়্যাল নয়। সবই প্রোগ্রাম দিয়ে বানানো। এক বিন্দু পরিমান কিছু সত্যি নয়।

২। কেনো ম্যাট্রিক্স বানানো হয়েছে? : মানুষ রোবোটের উপর এমনভাবে নির্ভর হয়ে গিয়েছিল যে তারা এত উন্নতমানের রোবোট বানিয়েছে , যাদের মধ্যে আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স তৈরি হয়ে গিয়েছিল,তাদের বুদ্ধিমত্তা ছিল। এর ফলে কোন এক রোবোট তার মত এরকম রোবোট বানাতে বানাতে তাদের সংখ্যা এমন বেড়ে যায় , যার ফলে রোবোট এবং মানুষের মদ্ধ্যে যুদ্ধ শুরু হয় এবং রোবোটের জয় হয়। আর এতে মানুষ তাদের গোলাম হয়ে যায়। কিন্তু পরিবেশের দূষনের ফলে পৃথবীতে দেখা দেয় দূর্যোগ। পৃথিবীতে সূর্যের আলো পৌছোয় না। আর সূর্যের আলো না পৌছোলে তো রোবোট রা বেচে থাকার জন্য শক্তি পাবেনা। মানে চার্জ পাবেনা। তাই তারা হিউম্যান প্রোডাকশন শুরু করে। মানুষের শরীর হতে ১২০ ভোল্টের ইলেক্ট্রিসিটি পাওয়া যায়। তারা মানুষের শরীরের সেই তাপ শক্তি হতে চার্জ নিয়ে বেচে থাকে। পৃথিবীতে শাক সবজির চাষ এর বদলে চাষ হচ্ছে মানুষের। আর সেই মানুষদের গায়ের তাপ এবং ইলেক্ট্রিসিটি দিয়ে রোবোট রা বেচে থাকছে। এবার কথা হল , মানুষদের চাষ করলে Matrix প্রোগ্রামের কি প্রয়োজন ছিল? অবশ্যই প্রয়োজন আছে। কারণ , এখানে তো সবাই বর্তমানে ঘুমন্ত অবস্থায় আছে। কিন্তু কখনো না কখনো তো সবাই জেগে যাবেই তাই না? ঠিক এই কারণে তাদের জন্য বানিয়ে দেয়া হয়েছে ম্যাট্রিক্স নামক এক কাল্পনিক জগত। এতে তাদের মস্তিস্ক তো ভাবছে তারা বেচে আছে। তারা হাটাচলা করছে। ঘুমোচ্ছে। তাই তাদের মস্তিস্ক ঠিকমতোই আছে আর মস্তিস্ক যদি মনে করে তারা ঠিক আছে , তাহলে রিয়্যাল লাইফে তাদের জেগে উঠার ও সম্ভাবনা নেই। Very Powerful Concept :'( ভেবে দেখেছেন , কত গভীরর চিন্তা করে বানানো হয়েছে?

৩। মুভিতে NEO মানে অভিনেতা কেনো একজন স্যুপারহিরো : বলে নেয়া ভাল যে রোবোট রা এই পর্যন্ত ৬বার ম্যাট্রিক্স প্রোগ্রাম বানিয়েছিল। কিন্তু প্রতিবার ই কোন এক সময় মানুষরা তা বুঝে যায় আর ফেইল হয়ে যায়। আর যারা ম্যাট্রিকা এর কারসাজী বুঝে যায় , তাদের মধ্যেই রয়েছেন মরফিয়াস , ট্রিনিটি , নিউ এবং অন্যান্যরা। তারা চায় যাতে সেই ম্যাট্রিক্স হতে সবাইকে মুক্ত করা যায়। কিন্তু এর জন্য প্রয়োজন একজন শক্তিমান কাউকে। আর সে হল NEO ।

৪। NEO কেনো শক্তিশালী? : আপনাদের মনে প্রশ্ন থাকবে যে NEO কেনো অনেক শক্তিশালী। সে ও তো মানুষ। তাহলে তার এত ক্ষমতা কেনো। কিন্তু বলে নেয়া ভাল যে NEO একজন নয়। এর আগে ৫ টি ম্যাট্রিক্স প্রোগ্রাম রান করা হয়েছিল। NEO সেগুলোতেও ছিল। গত ৫ বার একই ম্যাট্রিক্স রান হয়াতে NEO নিজেকে আস্তে আস্তে Develop করে ফেলেছে। তাই ৬ষ্ঠ বার নিউর অবিজ্ঞতা বেড়ে তার মধ্যে অন্যরকম ক্ষমতা এসে গিয়েছিল। সে ডেভেলপড ✌

৫। ওরাকল কে? : ওরাকল হল সেই প্রোগ্রামের মাতা বা Mother যে কিনা ওই প্রোগ্রামের অনেক কোড = ভবিষ্যত ডিটেক্ট করতে পারে। সে আসলে ভবিষ্যত বলতে পারেনা , কিন্তু আন্দাজ নিতে পারে এবং ভবিষ্যত বানাতে সাহায্য করে। কি , বুঝলেন না?

হুম , সবাই ভাবছেন যে ওরাকল তো ফিউচার বলে দেয়। না ভাই। উনি ফিউচার বলতে পারেনা। আমি বুঝাচ্ছি আপনাকে : নিউ তার বাসায় প্রথম যাওয়ার পর সে নিউ কে বলে “ভ্যাস (ফুলের টব) এর কথা চিন্তা কোরো না , আমার বাচ্চারা ওটা ঠিক করে দিবে” । এটা বলার পর নিউ পেছনে তাকায় আর ফুলের ভ্যাস টা ভেঙ্গে যায়। কি বুঝলেন?

উনি ভবিষ্যত বলেছেন নাকি বানিয়েছেন? যদি উনি নিউ কে ভ্যাস এর কথা না বলতো , তাহলে নিউ কি পেছনে তাকাতো? আর না তাকালে কি ভ্যাস ভাঙ্গতো? তাহলে সে ভবিষ্যত বললো বাকি বানালো?

চিন্তা করে দেখুন , পেচ টা কিভাবে লাগানো হল। আপনি আমি ভাববো যে সে ফিউচার বলে। কিন্তু না , সে ফিউচার বানাতে সাহায্য করে।

৬। ওরাকল এর বাসায় চামচ বাকা করা হয়েছিল কিভাবে? : ভাই , সবাই তো রয়েছে ম্যাট্রিক্স এ তাই না? এখানে তো আপনার বা আমার ইচ্ছাতে কিছুই হবেনা , রাইট? তাহলে চামচ কেন বাকানো গেল? ম্যাট্রিক্স হল কোড এর দুনিয়া। কোড যেভাবে দেয়া , আমরা সেভাবেই দেখছি। তাহলে কোড এ তো চামচ বাকা হয়ার কোড দেয়া নেই। তাহলে বাকা কেনো হবে?

ম্যাট্রিক্স এ কিছুই চেঞ্জ করা সম্ভব নয়। তবে হ্যা , যেহেতু ম্যাট্রিক্স আপনার মাইন্ডের সাথেও কানেক্টেড , তাহলে আপনি যদি মনে করেন আপনার হাতে চামচ বাকা হয় নি , আপনিই ব্যাকা হয়েছেন , তাহলে কেমন হয়? মানে আপনার হাতের চামচ বাকা হচ্ছেনা। আপনার মাইন্ড কে আপনার ইলিউশন কে চামচ বাকানো দেখার রেস্পন্স দিচ্ছেন। আর তাই চামচ টা বাকা হচ্ছে। তাহলে কি বুঝলাম? চামচ বাকা হচ্ছেনা , আপনি আপনাকেই বাকা করে চামচ কে দেখছেন। আপনার মাইন্ড কে আপনি বলছেন যে বাকা করে চামচ দেখতে। তাই দেখতে পাচ্ছেন চামচ বাকা। কিন্তু চামচ তো যেমন ছিল তেমন ই আছে। কি কনসেপ্ট রে ভাই 😂😂

৭। ওরাকল কি সব সময় সঠিক কথা বলেন? : NEO লিফটে মরফিয়াস কে জিজ্ঞেস করেন , ওরাকল কি সব সময় সঠিক কি না? তখন মরফিয়াস বলেন , সঠিক কিছু বলে কি না সেটা পরের কথা। তোমার মাইন্ড কি বলে। মূলত এটা বুঝানো হয়েছে যে ওরাকল পথ দেখাবে। চলতে হবে নিজেকে। কারণ ম্যাট্রিক্সে আপনি = মাইন্ড শুধুমাত্র আপনার নিজের।

৮। এজেন্ট স্মিথ কে? : ম্যাট্রিক্স হল একটি কম্পিউটার প্রোগ্রাম। ধরুন সেই প্রোগ্রামটি একটি Windows অপারেটিং সিস্টেম। এবার কথা হল , আপনার Windows এ কি সুরক্ষার জন্য Anti Virus রাখেন না? জি , ম্যাট্রিক্স এ থাকা ব্যাক্তিরা NEO , মরফিয়াস এবং ট্রিনিটি র মত অনেকে ম্যাক্ট্রিক্স হতে বের হয়ে যেতে যায় এবং অন্যদের ও চায় ম্যাট্রিক্স হতে বের করে নিতে। এটি ম্যাট্রিক্স এর রুলস এর বাহিরে। তাই এন্টি ভাইরাস এর মত ম্যাট্রিক্স প্রোগ্রামে এজেন্ট রাখা হয়েছে , তারাও একটা কম্পিউটার প্রোগ্রাম যারা ম্যাট্রিক্স এর সুরক্ষা করে। তারা প্রোগ্রাম হয়া সত্ত্বেও তাদের মাঝে রয়েছে বুদ্ধিমত্তা।

৯। টেলিফোন দিয়ে কিভাবে ম্যাট্রিক্স হতে তারা বের হয়ে যায়? : ধরুন আপনি এ জগতে আছেন। অপর জগতের সাথে যোগাযোগ এর একমাত্র রাস্তা হল নেটওয়ার্ক। কিন্তু নেটওয়ার্ক তো হয়া চাই এমন , যেটা রিয়্যাল ওয়ার্ল্ড হতে কানেক্ট হয়ে ম্যাট্রিক্স এ ও রয়েছে। আর তা হল টেলিফোন। কারণ , টেলিফোনে কথা বলার সময় তো মানুষের কথাগুলো ডেটা হিসেবে সেভ হয়ে আরেকজনের কাছে যায়। যেহেতু ডেটা সেভ হচ্ছে টেলিফোন হতে , তাই ডেটা সেন্টারের সাথে টেলিফোনের সংযোগ আছে রাইট? আর ডেটা সেন্টার তো থাকবে মাস্ট রিয়্যাল ওয়ার্ল্ডে। তাই নয় কি? ব্যাস। যেহেতু টেলিফোনের সংযোগ রয়েছে রিয়্যাল ওয়ার্ল্ডে । তাই এটার মাধ্যমে রিয়্যাল ওয়ার্ল্ড হতে কমান্ড আসলে সেখানে ম্যাট্রিক্স এর ডেটা = যেকোন কিছু / ব্যাক্তি ও ট্রান্সফার হতে পারবে।

১০। ফিনিসিং এ স্মিথ কিভাবে তার এতগুলো নলক বানালো? : স্মিথ ও কিন্তু নিউ র মত ৫ বার এই ম্যাট্রিক্স প্রোগ্রামে থাকার ফলে ডেভেলপ হয়ে গিয়েছে। তার বুদ্ধিমত্তা ও ডেভেলপ হয়েছে। কোন প্রোগ্রাম কে আপনি ভাইরাস এর সাথে তুলনা করতে পারেন। কোন ভাইরাস যদি খুব পাওয়ারফুল হয়ে যায় , তা আপনার সিস্টেমে বিভিন্ন ব্যাঘাত ঘটাতে পারে। তার ক্ষমতা বেড়ে যায়। ভাইরাস বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে যায় । এভাবেই স্মিথ তার ক্ষমতা বাড়িয়েছে।

১১। স্মিথ কিভাবে নষ্ট হল? : স্মিথ একটি এডভান্সড প্রোগ্রাম। স্মিথ ম্যাট্রিক্স এর নিয়ম হতে বেড়িয়ে গিয়েছে। তাই ম্যাক্ট্রিক্স তাকে কন্ট্রল করতেও পারছেনা। সে এত পাওয়ারফুল হয়ে গিয়েছে যে তাকে সিস্টেম হতে Delete দেয়া যাচ্ছিল না। তাহলে কিভাবে ডিলিট করা যাবে তাকে?

আমরা যারা প্রোগ্রামার বা কম্পিউটার সম্পর্কে ভাল জানি , তারা এটাও জানি যে আমরা কোন ফাইল কে সহজে ডিলিট করতে না পারলে সারভারের ROOT হতে তা ডিলিট করতে পারি । NEO একটা চাল চালল। NEO রোবোটের সিটিতে গিয়ে Architect কে বলল স্মিথ কে সে মারতে পারবে। বদলে আর্কিটেক্ট যাতে ম্যাক্ট্রিক্স এর সবাইকে স্বাধীন করে দেয়। NEO ম্যাট্রিক্স এর মেইন কম্পিউটারের সাথে কানেক্ট হয়ে ম্যাট্রিক্স এর জগতে ঢুকল স্মিথ কে মারতে। মনে রাখবেন , মেইন কম্পিউটার = Root । স্মিথ যেহেতু স্বচ্ছায় সিস্টেমের সাথে কানেক্ট হবেনা , তাই নিউ ট্রিক খেললো। স্মিথ নিউ কে মুভির শেষে তার রূপ দিল। যেহেতু NEO Root এর সাথে কানেক্টেড তাই নিউ এখন স্মিথ হয়াতে স্মিথ ও সিস্টেম রুট এর সাথে কানেক্টেড। রাইট? এবার কি? ব্যাস , স্মিথ কে সিস্টেম রুট হতে ডিলিট করে দেয়া হল। এতে তারা বানানো সকল কপি ও ডিলিট হয়ে গিয়েছে ম্যাট্রিক্স এর প্রোগ্রাম হতে। বুঝেছেন আশা করি?

১২। NEO কি মারা গিয়েছে শেষে? : নাহ। মারা যায় কি। এটা বুঝার জন্য একটা হিন্ট দেয়া আছে। নিউ র চোখ নষ্ট হবার পর নিউ তারা কনসিয়াস মাইন্ড দিয়ে দেখতো। আর সে দেখত টেম্পারেচার এর মত । যেমন নাইট ক্যামেরায় টেম্পাচার এর মত দেখায় হলুদ হলুদ। এটা মাথায় রাখুন আপাতত। এবার যখন স্মিথ কে ডিলিট করে দেয়া হল , তারপর নিউ কে কয়েকটা রোবোট যখন টেনে হিচরে নিয়ে যাচ্ছিল , তখন টেম্পারাচার এর মত হলুদ হলুদ একটি দৃশ্য দেখায় যেটায় স্পষ্ট প্রমাণ হয় যে নিউ বর্তমানে অচেতন প্রায় বা অসুস্থ্য , কিন্তু বেচে আছে। ফিনিসিং টা Open Ended ছিল। তাই যে যার মত ভাবতে পারেন। তবে আমি যেই যুক্তি টি দিয়েছি , আশা করি এটাই সঠিক। নিউ বেচে ছিল।

১৩। এবার কথা হল আর্কিটেক্ট কে? : প্রথমে মনে হবে যে আর্কটেক্ট কোন God বা ম্যাট্রিক্স এর নির্মাতা। কিন্তু আসল কথা এই যে , সেই আর্কিটেক্ট নিজেই একটা প্রোগ্রাম 😂😂

শেষে ওরাকল আর্কিটেক্ট কে বলে “আপনি সত্যিই সবাইকে স্বাধীন করে দিবেন কি না। বিনিময়ে আর্কিটেক্ট বলে : “Why do you think human i am?” মানে সে মানুষ না যে কথার বরখেলাফ করবে। সে নিজেও একটা প্রোগ্রাম। আর তাকে বানিয়েছে মেইন রোবোটগুলো। রোবোট এই আর্কিটেক্ট কে প্রোগ্রাম করেছে একজন God হিসেবে। রচিয়তা। আর সে রচিয়েছেন এই ৬ষ্ঠ ম্যাট্রিক্স 👌

╚●► এক্সপ্লেনেশন সমাপ্ত ◄●╝

কি ভাই? বলেছিলাম না? ম্যাট্রিক্স দেখে মনে হবে সব বুঝেছেন। কিন্তু উপরের ব্যাখ্যাগুলো কেউ জিজ্ঞেস করলে হয়ত চীত কাইত হয়ে যেতেন।

আসলে মুভির থিম এমনভাবে বানানো হয়েছে , যে কারোও কাছে না লাগবে বিরক্ত। আর সাই ফাই প্রেমিরা আবার ভেবে মরবে। আমার প্রশ্ন একটাই। ১৯৯৯ সালে এমন কমপ্লিকেটেড প্লট কিভাবে বানানো হল? :'( ভাবতে বসলে মাথা হ্যাং করার মত যত্তসব কনসেপ্ট। ১৯৯৯ সালে কেমনে কি? আর এত দারুন গ্রাফিক্স , ব্যুলেট টাইম শট , একশন , থ্রীডি গ্রাফিক্স :'( ১৯৯৯ সালে কিভাবে বানালো এসব , যেখানে Windows এর Usable ভারশন ই এসেছিল ২০০০ এর পর আর VFX রিলেটেড Software ই ভালমত এসেছিল ২০০২-৩ এর পর। কে জানে , কিভাবে কি করল তারা। কিন্তু এক কথায় বলতে গেলে ম্যাট্রিক্স এর মত মুভি , হলিউডে এক পিস 😍 এটার কোন কম্পিটিটর নেই।

এসব বড় বড় এক্সপ্লেনেশন যাদের পড়ার সময় নেই , তারাই পোস্ট দিয়ে বলে “ভাই মুভি বুঝিনা” । আসলে বিভিন্ন মুভির এক্সপ্লেনেশন পড়তে হয়। পড়লে বিভিন্ন বিষয়ে জানা যায়। এতে করে পরবর্তীতে কোন মুভি দেখলে তা বুঝতে সুবিধা হয়।

ধন্যবাদ আপনাকে , যদি এই এক্সপ্লেনেশন টি পড়ে থাকেন!

Categories

Leave a comment

Name *
Add a display name
Email *
Your email address will not be published
Website